Monday, May 28, 2007

পেট পুরে খাই দেশী চালের কুইজিন!

আমার প্রতিদিনের প্রদক্ষিণ এই স্বত্তা জুরে
শরীর একাই অনেক রূপে হিচকি্ মারে
তাঁতায় খায়েস অধিক লোভের ইস্টিসনে
নিয়ন্ত্রণে বেঁচে থাকি ভুরিভোজের নিমন্ত্রণে।

বহির্জগত দেখি ক্যবল কথার যন্ত্র জুরে
কলিং বেলে বধির, কপাটখানি বন্ধ থাকে
বদমায়েশেরা ডোরভিউতে বাজায় তালি
তবু আমার বিশাল আকাশ লেখায় জোটে।

বদ্ধ আমি সারাবেলা, সুযোগ পেলে মুক্ত
যুক্ত হতে দেশী ভাষার খোলা স্রোতে
পরানের ছিঁপটি খুলে ছুড়ে ফেলি মুখোশ
দেশী চালের কুইজিন খাই নিত্য হাপুস হুপুস।

Tuesday, April 10, 2007

অন্যগমন সংক্রান্তি

অনেকটা পথ পেড়িয়ে আজ সেই একই অনুভূতি
দু:সাহসের সাথে মাস্তুল ধরেছি উড়াতে গান্ডীব
তোমার আচলে বাজি এখন শুধু সাদা মেঘেদের বাড়ী
যাওয়াটাই বাকী, আবার শকুন হবো পথটুকু পাড়ি!

তোমার সাথে ছিল মিলিত পা, দুএকটা জলযানে ভ্রমণ
তোমার সাথে ছিল কোলাহল, শব্দ খেলার দিনভর যাত্রা
তোমার সাথে গেড়ো দেয়া আশার সঞ্চালন ছিল বুকখোলসে
তোমার সাথে ছিল মিতব্যয়ী ভীত ভালোবাসার কথাছোড়া!

পথটুকু পেড়িয়ে আজ বিসর্জনের অনুভব কাঁধে নিয়ে ঘুরি
অচঞ্চল মনে পড়ে পাথরের চাপ কেটে ফেলা প্রস্খানের ছুরি
হাতে পসার রেখা ছিটকে যায় গ্রহের সাথে অন্যগমন সংক্রান্তি
পুঁেজাতে তুমি ঠিকই ফেরো ফেলে আসা স্মৃতি ভরা তড়পড়ানি!

আমার হাতের তালুতে বসে থাকা তোমার অবয়বখানি হাসে
এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি জোটেনি এ জন্মকালে, করি জয়ধ্বনি
কয়েকফালি চাঁদ এসে হাজিরা দেয় প্রতিদিন, আমি নাকি শ্রান্ত
এবার পরিপূর্ণ নামানুষী হও, তোমার দিনযাপন শেষ হলো বলে!

তাই হই, তাই থাকি, ছিলাম বহুকাল একই শোকচাদরে শুয়ে
কোন উপশম নাই, কোনকালে ছিল না, থাকে না এমন ঘরে
দিলাম শেষে কয়েকশো পালক উড়িয়ে নিজের পাখনা কেটে
উড়ুক না হয় মুক্তাঙ্গিনী, কসম ধরে রাখবো পরের সবকটা জন্মে!

Monday, April 09, 2007

শূণ্য নও পূর্ণ নও

শূণ্য নও পূর্ণ নও
একটা কেবল বৃত্ত
শুরু নও শেষ নও
রয়েছো তো নিত্য

তুমি হও তোমার হও
ভালোবেসে পূর্ণ
আমি নই আমার নও
আমার তুমি শূণ্য

ঊর্ধ্বে ওঠার স্পর্ধাকে পেন্নাম জানাই!

তোমার যোনীতে থুবড়ে মরে সিংহাসনের খুঁটি
তুমি বারংবার প্রবেশ দেখ মর্দনহীন নটের তান্ডব
তোমার সংকোচনে শীৎকার মেখে উল্লাস ছোটে
বিবাহিত হয়ে যায় ভোরের সন্যাসময় কৈশর রোদ!

তুমি তাকে সৃষ্টি করো অথচ সে-ই বিরল আক্রোসে
তোমার জননেন্দ্রিয় ছিড়ে কুটে খায় সারাবেলা
ক্ষণিক সময়ের প্রলেপটুকু দিয়ে দেয় অংগে মেখে
যেন এই তোমার প্রাপ্য - তোমার যোনী গত্মব্য।

তোমার সংহিতায় যোনীবাহিত শরীর দেখে ঘামে
পাড়ার দুস্ট ছেলে থেকে শুরু করে নমস্য বৃদ্ধের দল!
তোমার যোনীতে কি আছে এমন যা অন্যের নাই?
তার ঊর্ধ্বে ওঠার স্পর্ধা তোমার তাই পেন্নাম জানাই!

প্রেমে পরা এখন পুরাতন শ্লোক

তার সংবেদন আমি স্পর্শ করি
আমারও এমন চেতন ছিল বলে
তার মত বিমর্ষ হই, হর্ষ করি!

দুহাতের সব রেখা তুলে ফেলি
দাতে দাত কেঁটে সফেদ অতীত
এখনও লিখে চলি, ভবিষ্যত লাগি!

না ছুয়েও যাই ছুয়ে গাঢ় নীল
জানি তাতে অব্যক্ত কথন মেশা
দেখা অতিক্রমে ব্যাথাতুর বাস্তব!

আমারও এমন শিশমহল রঙ্গ
তোমার চাদরে মোড়া অংগ দেখে
শিহরণে ইথারের স্তব্ধ কম্পন!

প্রেমে পরা এখন পুরাতন শ্লোক
তোমার সাথে কেবল লুটোপুটি
আমার একক বাসনার স্বপ্নচোর!

Saturday, January 27, 2007

অন্ডকোষ কেটে কাবাব খাই

জান্তব গোঙানীতে ছিড়ে ফেলা সংবিধানের পাতা
আটকে থাকা বুকে রোমহর্ষী কাকায়
কতগুলো নপুংসক রাজনীতিক এখন নিজেদের ধোনে
বাংলাদেশের পতাকা টানিয়ে ঘোরে
আমরা আবালেরা বীর্য ফেলি, বাজার করি, শেইভ করি
আর হুদাহুদিই চোদাচুদি করি গনতন্ত্র নিয়ে
নিজেদের অন্ডকোষ কেটে কাবাব খাই
আর অঙুলী করি নিজেদের সোগার ছিদ্রে!

Monday, December 18, 2006

তোমার ছায়া আমার ছায়া

সাধের সাথে অনেকদিন হয় না দেখা
অনেক দিন দেখিনা মনের মত
যা ইচ্ছা তা করার বায়না নেই
থাকি মরার মত! এখন ঠোট ছোয়ালে যেই
আমি অন্য মানুষ, সাধের সাথে দেখা হল
চোখ ঘুরাতেই!
এখন তুমি থাক, বুকের মাঝে থাক!
অন্য সবে সাধ পূরণে ব্যস্ত ছিল ভাবো
তাই আমার সাথে থাক, আমার ছায়ায় থাক
তোমার ছায়া আমার ছায়া সাধ পুরাবে দেখ!

Thursday, November 23, 2006

দেখার সাধ বাড়ছে

তোমাকে দেখার সাধ বাড়ছে, এটা উচিত হলেও
ছোঁয়ার সাধটা ঠিক হচ্ছেনা, অথচ ছুঁইতো প্রতিদিন
তোমার স্তন্য ছুঁই, তোমার ঠোট ছুঁই
স্পষ্ট দেখি তোমার উত্তেজনা বাড়ছে আমার মতই
অথচ আমি আর বাড়াতে পারি না সম্ভোগ!
একটা বিন্দুতে এসে অসাড় হাতপা
এরপরে আর থাকবে না অবশিষ্ট কিছু এমন ভয়ে
জাগ্রত রাখি তোমার শরীর, বিরহ, লোভ!

Wednesday, November 22, 2006

অন্ধ আমি তোমার প্রেমে সত্যি মেনো

তোমার বেলায় অন্ধ হলে ভালো বলো
মতের বেলায় তেমন হলে শ্রাদ্ধ করো
ভালো দেখে অন্ধ হলে মন্দ কেন
অন্ধ আমি তোমার প্রেমে সত্যি মেনো!!

তোমার চোখে দেখি বলে চোখটি ঢাকা
যা দেখ তাই আমার দেখাই ভালবাসা
তোমার চোখে মন্দ হলেও আমার দেখা
সেদোষে তাই নিভে গেল নয়ন রেখা!

আমি তাকে খুন করি প্রতিদিন

আমি তাকে খুন করি প্রতিদিন
তারপরেও সে বেঁচে ওঠে
আমি তাকে উত্তাপে বলি দেই
মনস্তাপে অর্বাচিন সংকটে !

আমি তার বিকৃত করি ইচ্ছেমন
তারপরেও উচুঁ তার গ্রীবা
তাকে ছিন্ন ভিন্ন নিশ্চিন্থ করি
তারপরেও লেগে রয় বিভা!

আমি তাকে কষ্টে রাখি যৌবনে
তবুও সে উদ্ভীন্ন সুন্দরী
বাহুতলে প্রতিদিন শয়ন-সম্ভ্রম
তার মাঝে তাই ইচ্ছেঘুরি!

আমার ছিঁপি ঠাসা ভাষা ছন্দ পেল

আমি তার শরীর ছুয়েছিলাম
সেখানে আগুন ছিল
আমার হাতে চামড়ার গ্লোবস্
তারপরেও পুড়ে গেল!

আমি তার হৃদয় ছুয়েছিলাম
সেখানে প্রেম ছিল
আমার হৃদয়ে পাষাণের বানী
তারপরেও গলে গেল!

আমি তার অশ্রু ছুয়েছিলাম
সেখানে অগ্নি ছিল
আমার অশ্রু শুকনো বালুকণা
তারপরেও ঝরে গেল!

আমি তার দু:খ ছুয়েছিলাম
সেখানে কষ্ট ছিল
আমার ছিঁপি ঠাসা ভাষা
তারপরেও ছন্দ পেল!

সহজ নয় পাসওয়ার্ডের ভাষা কিংবা দেহ

দিনের প্রথম পাসওয়ার্ড না দিলে উইন্ডোজ প্রবেশ রোধে
প্রতিদিন খুলতে হয় বলে বড় সহজ যেমন এক দুই তিন
আপনাদের প্রেরিত চিঠিগুলো পড়তে গোপন নম্বর জরুরী
সেনসেটিভ তাই একটু জটিল যেমন ধরুন তাধিকধিনধিন!

কি লিখছে প্রতিদিনের সামহোয়ারইন আর ব্লগার সতীর্থ
ওখানেও রেখেছি সহজ শৃংখল কোন এক ব্লগারের মন্ত্র
প্রতিদিন জপ করি তার নামের বানান মাউস চেপেই মত্ত
ভাগ্যিস গোপন নামে খুলে যায়না তিকনো দেহের বস্ত্র।

অর্থ পেতে ঢুকে যাই কার্ডের সাথে পাসওয়ার্ড নিয়ে বুথে
লিখে রাখার বিপদ জেনেও সহজ নম্বর থাকে না যে স্মরণ
চারপাচটা মেসেঞ্জোর আর মেইলে যাতায়াত এখন নিত্য
সহজ নয় যতই সহজ হোক পাসওয়ার্ডের ভাষা কিংবা দেহ!